×
অনুসন্ধান
EveryBengaliStudent.com
জীবন এবং ঈশ্বর বিষয়ক প্রশ্নগুলি
 আবিস্কার করার জন্য নিরাপদ স্থান
সম্পর্কগুলি

হুমকি এবং প্রতিকার

হুমকির প্রভাবগুলো হল প্রায়শই স্ব-ঘৃণা, হতাশা হয়ে থাকে। তিনি যে চমৎকার উপায়ে জয়ী হয়েছেন…

WhatsApp Share Facebook Share Twitter Share Share by Email More PDF

টেইলর পারকিনস্ এর লেখা

এটি হল দীর্ঘতর, ঘৃণ্য, বিদ্রুপাত্বক হাসি। রাগান্বিত কঠোর দৃষ্টি এবং টিটকারিমূলক ছবি। আপনার হাড়ে শীতল একটি অনুভূতি আপনাকে জানান দিচ্ছে যে আপনি কতটা বিচ্ছিন্ন, ভীত এবং আপনার আমিত্ব হারিয়ে ফেলেছেন। অথবা এটা স্ব-পীড়িত এবং সমস্ত দৃশ্যমান দাগগুলি যা আপনার দেহকে সজ্জিত করে তা হারয়িে গছেে এবং তা আপনাকে ভগ্নচূ্র্ণ করা ছাড়া আর কিছুই করে না।

আপনি হয়ত উপরিউক্ত তালিকাবদ্ধ মন্দ বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত এবং হয়ত আপনি এগুলোর শিকারও হয়েছেন। আমরা সকলেই কিছুটা হলেও মনের এই জঘন্য রোগগুলোর সাথে পরিচিত: দুশ্চিন্তা, নিরাপত্তাহীনতা, ভয়, আত্ন-ঘৃণা, নিজের ক্ষতি, মানসিক যন্ত্রণা, হতাশা, আশাহীনতা, বিচ্ছিন্নতা।

আমার তেরো বছর বয়সের সময় আমি আক্রান্ত হয়েছিলাম, যেটা হয়ত এত ছোট বয়সে বেমানান হতে পারে, কিন্তু আজকালকার বিশ্বে যারা এ সম্বন্ধে জানে তাদের কাছে এটা আসলে বেশ সাধারণ একটা বিষয়। আমি জীবনের বেশিরভাগ সময়েই গৃহশিক্ষা নেওয়ার পর একটি সরকারি স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে পড়া শুরু করলাম। আমাকে কোনমতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল এই কারণে যে যখন আমি মাধ্যমিক স্কুলে ঢুকলাম তখন আমি একজন প্রাক-কিশোর ছিলাম যার আত্নবিশ্বাস এমন ছিল যাকে কেউই কখনও কোন ধমক দেয় নি। আমি আমার ভুল-ত্রুটিগুলো নিয়ে অনেকটাই অজ্ঞ ছিলাম, আমি একটা সোনালি মাছের মত ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। আমি এখন বুঝতে পারি যে এটাই আমাকে একটি দারুণ শিকারে পরিণত করেছে- অনেতগুলো শেয়ালের মধ্যে একটি ভেড়া।

সরকারি স্কুল কেমন হবে সে বিষয়ে আমার একটি কল্পনা ছিল। এই ভাবতাম ওখানে আমি আমার ইচ্ছামত আমি বন্ধু বানাতে পারব, ছুটির পরপর তারিখগুলোতে ছায়াছবি দেখে পার করব, হলে হাঁটার সময় আমার সাথীদের প্রশংসনীয় নজরে থাকব, (এখানে অন্য যেকোন কিছু যোগ করতে পারেন)। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই আমার আত্নমর্যাতাসমৃদ্ধ এই কল্পনাটি জাহাজ ভেঙ্গে যাবার মত এবং আমার পরিচয় সাগরে হারিয়ে যাবার মত হয়ে গেল। আমার নিদারুণ এই কষ্টের কারণে আমি বুঝতে পারলাম যে আমাকে প্রশংসা তো করাই হয়নি, উপরন্তু আমাকে ঘৃণা করা হতো। আমাকে ঈর্ষা না করে উপহাস করা হতো।

আমি কে এবং আমি আমার বিষয়ে কি ভাবি সেগুলোর সংজ্ঞা আমার সাথীদের আমার বিষয়ে কথা এবং তারা আমার বিষয়ে কী ভাবত সেটার দ্বারা ধীরে ধীরে প্রভাবিত হতে লাগল। আর আপনি যদি কোন মেয়ের আচরণ সম্পর্কে কিছু জেনে থাকেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আমি যে কতটা চমrকার সে বিষয়ে তারা আমাকে কখনই বলবে না। সব দোষ আমার মুখের উপরেই ফেলা হতো, আমার নিজের সীমাব্ধতাগুলো আমার বিরুদ্ধেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

‘‘বাচ্চারা উগ্র’’ সমাজ এটাই যথার্থ বলে মনে করে। পরামর্শদাতারা এভাবে ব্যাখ্যা করেন যে ‘‘এটা একটা কঠিন সময়’’। কিন্তু এই মন্তব্যগুলো ধমক দেয়ার বিষয়টিকে অনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন করার একটি পথকে জনপ্রিয় করা ছাড়া আর কোন কাজেই আসে না। অপবাদিত হওয়া ও নির্যাতিত হওয়া কিশোর জীবনের এতট অংশ। যেমন লোকদের দ্বারা যদি কুrসিত, মোটা, বিরক্তিকর এবং অবাঞ্ছিত বলে ডাকা সেটি হল প্রতিদিন গাড়ি চালাতে শেখার মত।

কিন্তু ধমক দেওয়ার প্রভাবগুলো আসলে এগুলোই। আপনি নিজেকে আত্নভোলা মনে করবেন। আপনি বরাদ্দকৃত দলের প্রকল্পগুলোর জন্য প্রার্থনা করেন যাতে করে আপনার একজন সঙ্গী ছাড়া আর সেই বাচ্চা স্বভাব থাকবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত বেল বেজে উঠছে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি বাথরুমে যাবার জন্য অপেক্ষা করছেন এই ভয়ে যে আপনি যখন সবার সামনে একা দাঁড়াবেন তখন আপনার এই বিষয় নিয়ে সবাই কানাকানি বা হাসাহাসি করবে। আপনি আপনার ফোন ধরা কমিয় দিয়েছেন, আপনি এই বিষয়ে খুব ভীত যে লোকদের উত্ত্যক্ত করার পরের কথাগুলো কী হতে যাচ্ছে।

ধমক আগের অতীতের স্মৃতিগুলোর চাইতে অনেক বেশি অস্বস্তিজনক। এটি উপস্থিত একটি বাস্তবতা, একটি চলমান বন্ধু, একটি খারাপ সহায়ক, যেটি আপনাকে এই লোকটির সাথে কথা বলতে চেয়ে বিরক্ত করবেন ভেবে কথা না বলার জন্য প্ররোচিত করছে।

এটা ফিসফিসিয়ে আপনাকে কাঁচের মধ্যে দিয়ে যেতে বারণ করে, কারণ সেখানে ভাল কিছু দেখার মত কিছু নেই। এটিই সেই অন্ধকার যেটি আপনাকে নিজেকে নিজের হাতে ব্যাথ্যা দিতে প্ররোচিত করে কারণ এটি আপনাকে আপনি এর যোগ্য নন এটা আপনাকে বোঝাতে চায়। ধমকের প্রভাবগুলো বেশ গভীর।

আমি এগুলোকে বছরের পর বছর নিজের হৃদয়ে ধারণ করেছি। আমি সরকারি স্কুল থেকে বাদ পড়ি এবং বিশ্বের কাছ থেকে লুকানো শুরু করি। কিন্তু আমি শিখেছি যে নিজের খারাপগুলো থেকে পালিয়ে যাওয়া যায় না। আপনি নিজেকে নিজের কাছ থেকে লুকাতে পারেন না। জীবনে আমরা যেখানেই থাকি, সেই নির্দিষ্ট সময় থেকে যত দূরেই যাই না কেন, আমরা সেই আগেই ক্ষতগুলো বহন করি, বন্ধুরা।

আর এখনও, আমি তার থেকে ভারী বোঝা বহন করে চলছি।

ক্ষমাহীনতা এবং অসন্তোষের মূল বিষয়গুলো শক্তভাবে আমার হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। আসলে, আমার মনে হয় আমার সম্পূর্ণ স্বত্ত্বাকে বর্ণনা করার জন্য সবচেয়ে ভাল শব্দটি ছিল ঘৃণাপরায়নতা। এই ঘৃণা শুধু আমার জন্য নয়, কিন্তু যারা আমার পেছনে ছুরি ধরেছিল তাদের জন্য এবং যারা এই ছুরি মোচড় দিয়েছে তাদের জন্যও। আমার পরিবার এবং আমার বন্ধুদের জন্যও। সেই সুন্দরী মেয়েরা যাদেরকে আমি কখনও দেখিনি এবং জনপ্রিয় ছেলেরা যাদের সম্বন্ধে জানার জন্য আমি কখনই মাথা ঘামাই নি তাদেরও জন্যও।

আমি আমার অতীতের নিরাপত্তাহীনতা এবং তিক্ততায় এতটাই নিমজ্জিত হয়ে পড়েছিলাম যে আমি আমার সামনের পুরো জীবনটাই হারিয়ে ফেলতে চলছিলাম। আসলে, আমার চারপাশের ছড়িয়ে থাকা অন্ধকার এতটাই প্রবল ছিল যে আমার মনে হয়েছিল আমি আর কখনই আলো দেখতে পারব না। আমি আর কখনও আত্নবিশ্বাস ফিরে পাব না।

কিন্তু এমন একজন আছেন যিনি সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আমি যে এতকিছুর মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম তা তাঁর দৃষ্টিগোচর হয়নি।

একদিন, উচ্চ বিদ্যালয়ে অগ্রজ হিসেবে পড়াকালীন সময়ে, আমি আমার বসার ঘরে বসে টিভিতে একজন অনুপ্রেরণামূলক বক্তার কথা শুনলাম। তিনি শত্রুদের ক্ষমা করার গুরুত্ব এবং ঘৃণাকে ত্যাগ করার বিষয়ে কথা বলছিলেন। এটা আমার মনোযোগ কাড়ে। বলার জন্য অদ্ভুত একটি বিষয়।

আমি ভেবেছিলাম, এটা সম্পূর্ণভাবে হাস্যকর। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির যুগে যে কোন শিশু যেমন করে, তেমনি আমারও গুগলের কাছে সবকিছু অনুসন্ধান করে দেখার তীব্র প্রয়োজনীয়তা ছিল। আমি খুঁজে পেলাম যে বাইবেলে যীশুর একজন অনুসারী তাঁকে দারুণ একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিল। তাঁর অনুসারী জানতে চেয়েছিল যে আমাদের শত্রুকে আমাদের কতবার ক্ষমা করা উচিত। সে সন্দেহপূর্ণ ছিল যে সাতবার ক্ষমা করা যথেষ্ট হবে কিনা। যীশু তাকে বলেছিলেন লোকদেরকে ‘‘সত্তর গুণণ সাত’’ বার যার অর্থ হল অনেকবার ক্ষমা করতে বলেছেন। আমার এই বিষয়টি পছন্দ হয় নি, তাই আমি এটা বন্ধ করলাম এবং নিজের পথেই হাঁটতে লাগলাম।

যাইহোক, পরের দিন আমি আমার মায়ের সাথে গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম এবং আমার কানে হেডফোনে গান চলছিল। যখন আমি এক সেকেন্ডের জন্য আমাদের রেডিওতে যে গানগুলো চলছিল তা দেখার জন্য তাকালাম তখন সেখানে ‘‘৭x৭০’’ ভেসে উঠল। আমার জীবনকে রক্ষা করার জন্য ঈশ্বর আমার কাছে ফিসফিসিয়ে একটি কথাই বললেন।

আমি সেই রাতে বাড়িয়ে গেলাম এবং বহু বছর পর ঈশ্বরের বাধ্য হলাম। প্রথমে, আমার একটু অস্বস্তি হচ্ছিল। আমি বলতে চাচ্ছি, দেখ। আমি একটি খ্রীষ্টিয়ান পরিবারে বড় হয়েছি, কিন্তু বছরের পর বছর ঈশ্বরের কাছ থেকে দূরে থেকেছি। এটাই এই দীর্ঘ নীরবতার পর প্রথম কোন কাজ নয়? আমার কি এমন ব্যক্তিদের ক্ষমা করতে হবে যারা আমাকে শুধু কষ্টই দেয় নি, বরং তারা তাদের কাজের জন্য দু:খিতও ছিল না? এই রাগ এবং প্রতিশোধ ঝেড়ে ফেলে আমি কি আমার স্বকীয়তা ধরে রাখতে পারব? অসম্ভব।

কিন্তু- আমার ক্ষেত্রে, এমনটি হয় নি, ঈশ্বর অসম্ভবকে সম্ভব করেন। সেই রাতে আমি আত্নসচেতনভাবে একটি সিদ্ধান্ত নিই যে, যারা আমার হৃদয়ের বিরুদ্ধে অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে তাদের প্রত্যেককে আমি ক্ষমা করে দেব। প্রথমদিকে, এটি শুধুমাত্র যান্ত্রিকতা ছিল, এবং তালিকার নীচের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু ঈশ্বর আমার অন্তরে অনেক শাক্তিশালী এবং সক্রিয়ভাবে কাজ করছিলেন, আর এর ফলে এই সকল তালিকার শেষে আমি একজন নতুন ব্যক্তি হয়ে উঠেছিলাম। আমি অনুভব করলাম যে অসহনীয় ভারী শেকলগুলো আমার আত্না থেকে সরিয়ে নিয়ে ওজনহীন কিছু একটা দেয়া হয়েছে যা আমাকে হাঁটু গাঁড়তে বাধ্য করেছে। সেই মুহূর্তে, ঈশ্বর আমার জন্য এমন কিছু করলেন যেটা আমি নিজে কখনই করত পারতাম না। সেই রাতে, ঈশ্বর আমাকে স্বাধীন করেছেন।

তিনি আপনার জন্যও এটা করতে পারেন। তিনি আপনার জন্য একই কাজ করতে চান।

আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, আপনাকে খুঁজে বের করা হবে। আপনি হয়ত কলেজের একজন শিক্ষার্থী হকে পারেন যে তার অতীতের নির্যাতনের শিকার হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। আপনি হয়ত এমন একজন মহিলা হতে পারেন যাকে লোকেরা : অপ্রত্যাশিত, ভালবাসার অযোগ্য, এবং অনাকর্ষণীয় বলে সম্মোধন করে। আপনি এমন একজন হতে পারেন যে অনেক দূর পর্যন্ত গিয়েছেন এবং অনেক কিছু করেছেন। অথবা আপনি এমনও একজন হতে পারেন যিনি তার অন্তরে সবকিছু গোপন রেখে অন্ধকারে একাকী অবস্থায় নীরবে কেঁদেছেন, এবং নিজের শরীরের অংশগুলোকে লুকিয়ে রেখেছেন যেগুলো আপনার বিদ্ধস্ত রূপকে প্রকাশ করে।

আপনি যেই হোন না কেন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, আমি বলতে পারি যে আপনি ওখানে আছেন। আমি আমার ব্যক্তিগত নরকের মধ্য দিয়ে পার হয়েছি। আমি কেঁদেছি এবং অনেক মিথ্যা বিশ্বাস করে অনেক যন্ত্রণাভোগ করেছি। আমি এত্তগুলো আকার ধারণ করেছি যে আমি ভুলেই গিয়েছিলাম আমি সত্যিকারভাবে দেখতে কেমন । এসব শুধুমাত্র একটা সত্যকে জানার জন্য: সবকিছু থেকে বড় একজন আছেন। আর তাঁর নাম হল যীশু।

আমার ক্ষেত্রে, সত্যিকারভাবে অরোগ্যলাভ তখনই শুরু হয়েছে যখন আমি যীশুকে আমার কাছে সত্য নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছি। প্রথম যে বিষয়টি আমি শিখেছি তা হল আমি কখনই আমার নিজের অংশগুলোকে ঠিক করতে পারতাম না। আমি কখনই এতটা শক্তিশালী ছিলাম না যে আমি আমার অন্ধকারকে দূর করতে পারব। আমার আত্না রোগাক্রান্ত ছিল এবং এই রোগ দূর করার জন্য অনেক শক্তিশালী প্রতিষেধকের প্রয়োজন ছিল। যখন আমি শারীরিকভাবে কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হই, তখন আমরা আমাতের কনুইতে কখনও ব্যান্ডেজ লাগাই না আর এটাও আশা করি না যে এর মাধ্যমেই আমরা সেড়ে উঠব। একইভাবে, আমিও ভেতর থেকে কোন চিকিrসা না নিয়ে আমার ক্ষত ঠিক করার আশাও করতে পারতাম না।

সেইদিন ঈশ্বর আমাকে খুঁজে পান এবং আমার কাছে কথা বলেন, আমি বুঝতে পারি যে যীশুই আমার আত্নার আরোগ্যলাভের নিরাময়কারী। তাঁর মৃদু উrসাহ এবং সাহায্যের দ্বারা, আমি তাদেরকে ক্ষমা করতে পেরেছি। তিনি আমার আত্নাকে নিরাময়তা দ্বারা আচ্ছন্ন করেছেন, আমার ক্ষতগুলোকে তিনি তাঁর ভালবাসার দ্বারা ধুয়েছেন এবং আমার ক্লান্ত এবং ক্ষয়ে যাওয়া হাড়গুলোকে শীতল করেছেন।

আমি আবিষ্কার করেছি যে আমি দেখতে কেমন, আমার কতজন বন্ধু আছে, আমি কি গাড়ি চালাই, লোকেরা আমার সম্বন্ধে কী বলে এগুলোর ওপর ভিত্তি না করে, আমাকে নি:শর্তভাবে ভালবাসা হয়েছে। আমি এমন একটি ভালবাসার ব্যক্তির সন্ধান পেয়েছি যার সাথে আমি আমার অন্তরের গভীর থেকে ভালবাসায় ডুবে ছিলাম। আমার সকল কাজ, বৈশিষ্ট্য, আগ্রহ, চিন্তা, স্বপ্ন, এবং তালন্ত ঈশ্বর জানেন এবং সুরক্ষিত রেখেছেন। আসলে, সেই সময় আমি বাইবেলে একটি পদ পেয়েছি যেটা বলছে যে ‘‘তুমি আমার জীবন-পথ ভাল করেই জান’’ (গীতসংহিতা ১৩৯:৩)

আমি কে এবং আমাকে কতটা ভালবাসা হয়েছে এই সত্য ছাড়া আমাকে আর কোন কিছু্ই বাঁচাতে পারত না। লোকেরা আমার বিষয়ে কি ভাবে এই বিষয়ে আর আমি উুদ্বিগ্ন নই, কারণ আমি জানি এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের ঈশ্বর আমাকে নিয়ে কী ভাবেন। আমার সাথে যা করা হয়েছে সে নিয়ে আামি আর তিক্ত নেই, কারণ আমার একজন শক্তিশালী রক্ষক আছেন যিনি আমার হয়ে সকল যুদ্ধ লড়বেন। আমি আর ঘৃণার দাস নই, নিজেকে নিয়ে এবং লোকদেরকে নিয়ে, কারণ আমি এমন এক ভালবাসার অনুসরণ করছি যে ভালবাসা সকল কিছু পরিবর্তন করতে পারে।

আমাকে যদি আমার অভিজ্ঞতার শুধু একটি সত্যকে বলতে বলা হয়, তাহলে সেটা হবে ঈশ্বর জীবন্ত এবং অটল; কোন কিছুই তাঁকে থামাতে পারে না, আপনার হৃদয়কে ফিরে পেতে এবং আপনাকে তাঁর বাহুতে আশ্রয় দিতে তিনি আপনার কাছ থেকে কিছুই নেবেন না। তাহলে ধমকের প্রভাবগুলোর কী হল? আমি তো স্বাধীনতা খুঁজে পেয়েছি।

‘‘আমি সত্যিই তাঁকে দেখলাম যাঁর চোখের সামনে আমি আছি।’’ আদিপুস্তক ১৬:১৩

 আমার একটি প্রশ্ন বা মন্তব্য আছে…
 কিভাবে ঈশ্বরের সাথে একটা সম্পর্ক শুরু করেন

এই প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
WhatsApp Share Facebook Share Twitter Share Share by Email More