×
অনুসন্ধান
EveryBengaliStudent.com
জীবন এবং ঈশ্বর বিষয়ক প্রশ্নগুলি
 আবিস্কার করার জন্য নিরাপদ স্থান
সম্পর্কগুলি

গর্ভপাতের খুঁটিনাটি বিষয়সমূহ

গর্ভপাত সম্পর্কে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া? ঈশ্বর কীভাবে সাহায্য করতে পারেন?

WhatsApp Share Facebook Share Twitter Share Share by Email More PDF

আপনি (বা আপনার কোন বন্ধু) অনিচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত সম্পর্কিত তথ্যের কাছে যাওয়ার সাথে সাথে আপনি গর্ভপাতের খুঁটিনাটি বিষয়সমূহ জানতে পারবেন।আপনি হয়ত গর্ভপাতের ‘‘অধিকার আছে’’ এর বিপরীতে গর্ভপাত ‘‘করা ভুল’’ এই বিষয়ে শুনে থাকবেন।

আপনার রাজনৈতিক প্ররোচনা যাই হোক না কেন, এটা একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে পড়ে যে কোন মানসিক আঘাত ছাড়া কোন মহিলাই এই সিদ্ধান্ত নেয় না। সকল ঐচ্ছিক বিষয়সমূহ—গর্ভপাত, বা শিশু বড় করে তোলা, বা অন্য পরিবারকে শিশু দত্তক নিতে অনুমতি দেওয়া—এসকল বিষয়সমূহ আবেগিক কষ্ট এবং ব্যক্তিগত ত্যাগস্বীকারের দিকে পরিচালিত করতে পারে।

আপনি স্বভাবতই গর্ভপাত নিয়ে তেমন কোন তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না, খুঁটিনাটি বিষয়গুলো হতে পারে, যেগুলোতে ঈশ্বর আপনাকে কষ্ট এবং বিভ্রান্তিতে থাকা অবস্থায় কি দিতে চাচ্ছেন।

আপনি দেখবেন, আমাদের সীমাবদ্ধ শূন্যতা এবং সীমিত দৃষ্টিকোণ থেকে ঈশ্বর আরও অনেক বড়। যারা তাঁকে দিকে ফেরে তাদের জন্য তিনি যা করেন তা তিনি সেই পরিস্থিতির মধ্য থেকে তাদের জন্য সুবিধাজনক দৃষ্টিকোণ দিয়ে দেখেন। এটা হল ঈশ্বরের অন্তর: ‘‘সদাপ্রভু দয়াময় ও মমতায় পূর্ণ; তিনি সহজে অসন্তুষ্ট হন না এবং তাঁর অটল ভালবাসার সীমা নেই। সদাপ্রভু সকলের জন্যই মংগলময়; তাঁর সৃষ্ট সব কিছুর উপরে তাঁর মমতা রয়েছে।‘’

বাইবেল যখন বলে যে ঈশ্বর ‘‘সকলের জন্যই মংগলময়; তাঁর সৃষ্ট সব কিছুর উপরে তাঁর মমতা রয়েছে’’ এর মানে হল তিনি একইসাথে আপনার এবং শিশুটির প্রতি মংগলময় এবং মমতাবান। আপনার হয়ত মনে হতে পারে যে, আপনি বন্দী, জমে যাওয়া কোন পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। অথবা আপনি নিজের সকল পরিস্থিতির প্রতি সহানূভূতিশীল হতে পারেন, অথবা শিশুটির প্রতিও সহানূভূতিশীল হতে পারেন, এতে করে শিশুটি জন্মলাভ করবে। তবুও ঈশ্বর বলেন ‘‘সকলের জন্যই মংগলময়; তাঁর সৃষ্ট সব কিছুর উপরে তাঁর মমতা রয়েছে’’। তাঁর কাছে নিশ্চয়ই কোন সমাধান আছে যেটা আপনি দেখছেন না। যদি আপনার যোগানের জন্য আপনি তাঁর উপর নির্ভর করেন, তাহলে তিনি আপনার সকল চাহিদা এবং শিশুটির সকল চাহিদাই পূরণ করবেন।

যারা ঈশ্বরের দিকে ফেরে এবং তাঁর বাধ্য থাকে তাদের প্রতি তাঁর ব্যবহার এমনই হয়। ‘‘আশা নিয়ে সকলেই তোমার দিকে তাকিয়ে থাকে; ঠিক সময়ে তুমি তাদের খাবার দিয়ে থাক। সমস্ত প্রাণীর মনের ইচ্ছা তুমি হাত খুলে পূরণ করে থাক ‘’ যদি আপনি ঈশ্বরের উপর নির্ভর করেন, তাহলে তিনি আপনার সকল চাহিদাই পূরণ করবেন।

ঈশ্বর কি সত্যি সত্যিই এর মধ্য দিয়ে আসেন? এটা জেনে রাখুন: ‘‘যারা সদাপ্রভুকে ডাকে, অন্তর দিয়ে ডাকে, তিনি তাদের কাছেই থাকেন। যারা তাঁকে ভক্তিপূর্ণ ভয় করে তাদের মনের ইচ্ছা তিনি পূরণ করেন; ‘’ Fতাঁকে ভয় করবেন? এর মানে হল তাঁকে ভক্তি-শ্রদ্ধা করা। আমরা না বরং তিনিই যে সত্যিকারের ঈশ্বর তা স্বীকার করা।‘‘যারা তাঁকে ভক্তিপূর্ণ ভয় করে তাদের মনের ইচ্ছা তিনি পূরণ করেন’’।

আপনি যদি ঈশ্বরকে অনুসরণ করার জন্য অনুসন্ধান করেন তাহলে কি তিনি সত্যিই আপনার প্রার্থনা শুনবেন? ‘‘যারা ন্যায়ের পথে চলে তাদের উপর প্রভুর চোখ আছে, তাদের প্রার্থনা শুনবার জন্য তাঁর কান খোলাই রয়েছে; কিন্তু যারা মন্দ কাজ করে, প্রভু তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান ‘’

সঠিক কাজ করাটা কি খুব কঠিন? হ্যাঁ, বেশিরভাগ সময়ই! আর এর জন্য অনেক বড় কিছুর প্রয়োজন হয়। তবে আপনি নিজেই নিজের জন্য সম্পূর্ণভাবে উপযুক্ত নন। যদি আপনার জীবনের সব কাজ, সকল চেষ্টা, ভবিষ্যৎ যদি আপনার কাঁধের ওপর থাকে তাহলে সঠিক কাজ করাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু ঈশ্বর বলেন আপনি একা নন। আমরা এই পৃথিবীতে উদ্বাস্তু নই। তিনি এতটাই শক্তিশালী, এতটাই ক্ষমতাবান যে, ‘‘যুবকেরা, তোমরা প্রধান নেতাদের অধীনে থাক। তোমরা সবাই নম্র হয়ে একে অন্যের সেবা কর, কারণ পবিত্র শাস্ত্রের কথামত, “ঈশ্বর অহংকারীদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান, কিন্তু নম্রদের দয়া করেন।”সেইজন্য ঈশ্বরের ক্ষমতার সামনে নিজেদের নীচু কর, যেন ঠিক সময়ে তিনি তোমাদের উঁচু করেন।তোমাদের সব চিন্তা-ভাবনার ভার তাঁর উপর ফেলে দাও, কারণ তিনি তোমাদের বিষয়ে চিন্তা করেন।’’

গর্ভপাতের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্কে থাকাকালীন সময়েও, ঈশ্বরের উপস্থিতি আছে, যিনি আপনাকে অশান্তির মধ্যে তাঁর কাছে ফিরে আসার জন্য বলছেন, যাতে তিনি তাঁর সৃষ্টির প্রতি মমতা প্রকাশ করতে পারেন। ঈশ্বর আপনাকে এটা জানাতে চান যে তিনি আপনার এই পরিস্থিতিতে আপনার সাথে তা বহন করতে চান, আপনাকে পরিচালনা, আপনার চাহিদা পূরণ করতে চান। আপনি কি ঈশ্বেরের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা শুরু করেছেন? ঈশ্বরকে ব্যক্তিগত উপায়ে জানার জন্য, এখানে যান

 আমার একটি প্রশ্ন বা মন্তব্য আছে…
 কিভাবে ঈশ্বরের সাথে একটা সম্পর্ক শুরু করেন

পাদটীকাসমূহ: (১) গীতসংহিতা ১৪৫:৮-৯ (২) গীতসংহিতা ১৪৫:১৫-১৬ (৩) গীতসংহিতা ১৪৫:১৮-১৯ (৪) ১ম পিতর ৩:১২ (৫) ১ম পিতর ৫:৫-৭


এই প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
WhatsApp Share Facebook Share Twitter Share Share by Email More